ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এয়ারপোর্টে যে আট জিনিস কখনো কিনবেন না, নাহলে কিন্তু ঠকে যাবেন!

  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৪
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

ভ্রমণ ভীষণ ব্যয়বহুল। আর আপনি যখন এয়ারপোর্টে যাবেন তখন মনে হবে নতুন কোনো পৃথিবীতে চলে এসেছেন। এখানে আপনি প্রয়োজনের চেয়েও অতিরিক্ত অনেক কিছু পাবেন যা দেখলেই কিনতে ইচ্ছে করবে। আপনি যেহেতু দীর্ঘসময় আকাশ পথে যাত্রা করবেন, তাই প্লেনে চড়ার আগে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস হয়তো কিনতে চাইবেন। কিন্তু পরবর্তীতে আফসোস করবেন কেন এগুলো কিনেছেন। তাই পকেটর খরচ কমাতে চাইলে এই আর্টিকেলে এমন কিছু জিনিসের কথা বলব যেগুলো আপনার কেনা উচিত হবে না। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক এয়ারপোর্টে গিয়ে কি কি কেনা থেকে বিরত থাকবেন-

১. ইলেকট্রনিক ডিভাইস

এয়ারপোর্টে কোনো ধরণের ইলেকট্রনিক ডিভাইস কেনা উচিত নয়। কারণ বাহিরের দোকানগুলোর তুলনায় এখানে অতিরিক্ত দাম রাখা হয়। তাই পারতপক্ষে এখান থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস না কিনে বাহির থেকে কেনা উচিত।

২. খাবার

প্লেনে চড়ার আগে অবশ্যই খাবার খেয়ে উঠা উচিত নয়তো আপনি অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। কিন্তু চেষ্টা করবেন খাবারটা বাড়ি থেকে খেয়ে আসতে বা নিয়ে আসতে। কারণ এয়ারপোর্টে খাবারে দাম অনেক বেশি এবং খাবারগুলো খেতেও ভালো হয় না।

৩. পানি বা কোমল পানীয়

প্লেনে যাতায়াত করার সময় পানি পান করা খুবই জরুরি। না হলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। যারা নিয়মিত প্লেনে যাতায়াত করেন তারা কখনোই এয়ারপোর্ট থেকে পানি বা অন্য কোনো পানীয় কিনেন না। কারণ এখানে পানির বোতলের দাম অনেক বেশি। যদিও সিকিউরিটি চেকের সময় কোনো ধরণের পানীয় ভিতরে নেওয়া যায় না। তাই আপনি খালি বোতল নিয়ে ঢুকতে পারেন। প্রত্যেক এয়ারপোর্টেই পানির ব্যবস্থা থাকে। সেখান থেকে চাইলে নিজের বোতলে পানি ভরে নিতে পারেন। এর জন্য কাউকে কোনও খরচ করতে হয় না। বিমান বন্দরে সেন্সরযুক্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা থাকে।

৪. স্যুভেনিয়র

এয়ারপোর্ট থেকে আর যাই কিনুন না কেন স্যুভেনিয়র কখনোই কিনবেন না। কারণ এখানে স্যুভেনিয়রের দাম অনেক বেশি। যে দেশে বেড়াতে যাচ্ছেন সেখানে গিয়ে বাইরের দোকান থেকে স্যুভেনিয়র কিনুন।

৫. নিক-পিলো

নিক-পিলো বা ঘাড়ের জন্য বালিশ অবশ্যই বাহির থেকে কিনে আনবেন। দীর্ঘযাত্রার ভ্রমণে এই আপনার ভীষণ প্রয়োজন হবে। কিন্তু এয়ারপোর্টে এই বালিশের দাম দ্বি-গুণ। তাই এয়ারপোর্ট থেকে এই জিনিস কিনবেন না।

৬. লাগেজ

বেড়াতে গিয়ে হয়তো অনেক বেশি শপিং করে ফেলেছেন। ভাবছেন এয়ারপোর্ট থেকে একটা লাগেজ কিনে নিবেন? ভুলেও এ কাজ করবেন না। অন্য সব জিনিসের মতো এর দাম অনেক। আপনি এখানে ভালো জিনিস পাবেন সন্দেহ নেই কিন্তু তার জন্য আপনাকে অনেক বেশি খরচ করতে হবে।

৭. চকলেট

চকলেট মানসিক অবসাদ দূর করার পাশাপাশি আপনাকে প্রফুল্ল করে তুলে। তাই প্লেনে চড়ার আগে কিছু চকলেট কিনতে পারেন কিন্তু অবশ্যই তা বাহিরের দোকান থেকে কিনবেন। কারণ এয়ারপোর্টের ভিতরে আপনাকে একই চকলেট দ্বি-গুণ বা তিন -গুণ বেশি দাম দিয়ে কিনতে হবে।

৮. পারফিউম

এয়ারপোর্টে অনেক পারফিউমের দোকান দেখতে পাবেন। কিন্তু ভুলেও এসব দোকান থেকে কোনো পারফিউম কিনবেন না। শুধু দাম বেশি সেজন্য নয়, এখানে অনেক নকল পারফিউমও বিক্রি করা হয়। আপনি বুঝতেও পারবেন না কোনটা আসল আর কোনটা নকল। তাই এয়ারপোর্ট থেকে পারফিউম কেনা থেকে বিরত থাকুন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ারপোর্টে যে আট জিনিস কখনো কিনবেন না, নাহলে কিন্তু ঠকে যাবেন!

আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৪

ভ্রমণ ভীষণ ব্যয়বহুল। আর আপনি যখন এয়ারপোর্টে যাবেন তখন মনে হবে নতুন কোনো পৃথিবীতে চলে এসেছেন। এখানে আপনি প্রয়োজনের চেয়েও অতিরিক্ত অনেক কিছু পাবেন যা দেখলেই কিনতে ইচ্ছে করবে। আপনি যেহেতু দীর্ঘসময় আকাশ পথে যাত্রা করবেন, তাই প্লেনে চড়ার আগে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস হয়তো কিনতে চাইবেন। কিন্তু পরবর্তীতে আফসোস করবেন কেন এগুলো কিনেছেন। তাই পকেটর খরচ কমাতে চাইলে এই আর্টিকেলে এমন কিছু জিনিসের কথা বলব যেগুলো আপনার কেনা উচিত হবে না। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক এয়ারপোর্টে গিয়ে কি কি কেনা থেকে বিরত থাকবেন-

১. ইলেকট্রনিক ডিভাইস

এয়ারপোর্টে কোনো ধরণের ইলেকট্রনিক ডিভাইস কেনা উচিত নয়। কারণ বাহিরের দোকানগুলোর তুলনায় এখানে অতিরিক্ত দাম রাখা হয়। তাই পারতপক্ষে এখান থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস না কিনে বাহির থেকে কেনা উচিত।

২. খাবার

প্লেনে চড়ার আগে অবশ্যই খাবার খেয়ে উঠা উচিত নয়তো আপনি অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। কিন্তু চেষ্টা করবেন খাবারটা বাড়ি থেকে খেয়ে আসতে বা নিয়ে আসতে। কারণ এয়ারপোর্টে খাবারে দাম অনেক বেশি এবং খাবারগুলো খেতেও ভালো হয় না।

৩. পানি বা কোমল পানীয়

প্লেনে যাতায়াত করার সময় পানি পান করা খুবই জরুরি। না হলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। যারা নিয়মিত প্লেনে যাতায়াত করেন তারা কখনোই এয়ারপোর্ট থেকে পানি বা অন্য কোনো পানীয় কিনেন না। কারণ এখানে পানির বোতলের দাম অনেক বেশি। যদিও সিকিউরিটি চেকের সময় কোনো ধরণের পানীয় ভিতরে নেওয়া যায় না। তাই আপনি খালি বোতল নিয়ে ঢুকতে পারেন। প্রত্যেক এয়ারপোর্টেই পানির ব্যবস্থা থাকে। সেখান থেকে চাইলে নিজের বোতলে পানি ভরে নিতে পারেন। এর জন্য কাউকে কোনও খরচ করতে হয় না। বিমান বন্দরে সেন্সরযুক্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা থাকে।

৪. স্যুভেনিয়র

এয়ারপোর্ট থেকে আর যাই কিনুন না কেন স্যুভেনিয়র কখনোই কিনবেন না। কারণ এখানে স্যুভেনিয়রের দাম অনেক বেশি। যে দেশে বেড়াতে যাচ্ছেন সেখানে গিয়ে বাইরের দোকান থেকে স্যুভেনিয়র কিনুন।

৫. নিক-পিলো

নিক-পিলো বা ঘাড়ের জন্য বালিশ অবশ্যই বাহির থেকে কিনে আনবেন। দীর্ঘযাত্রার ভ্রমণে এই আপনার ভীষণ প্রয়োজন হবে। কিন্তু এয়ারপোর্টে এই বালিশের দাম দ্বি-গুণ। তাই এয়ারপোর্ট থেকে এই জিনিস কিনবেন না।

৬. লাগেজ

বেড়াতে গিয়ে হয়তো অনেক বেশি শপিং করে ফেলেছেন। ভাবছেন এয়ারপোর্ট থেকে একটা লাগেজ কিনে নিবেন? ভুলেও এ কাজ করবেন না। অন্য সব জিনিসের মতো এর দাম অনেক। আপনি এখানে ভালো জিনিস পাবেন সন্দেহ নেই কিন্তু তার জন্য আপনাকে অনেক বেশি খরচ করতে হবে।

৭. চকলেট

চকলেট মানসিক অবসাদ দূর করার পাশাপাশি আপনাকে প্রফুল্ল করে তুলে। তাই প্লেনে চড়ার আগে কিছু চকলেট কিনতে পারেন কিন্তু অবশ্যই তা বাহিরের দোকান থেকে কিনবেন। কারণ এয়ারপোর্টের ভিতরে আপনাকে একই চকলেট দ্বি-গুণ বা তিন -গুণ বেশি দাম দিয়ে কিনতে হবে।

৮. পারফিউম

এয়ারপোর্টে অনেক পারফিউমের দোকান দেখতে পাবেন। কিন্তু ভুলেও এসব দোকান থেকে কোনো পারফিউম কিনবেন না। শুধু দাম বেশি সেজন্য নয়, এখানে অনেক নকল পারফিউমও বিক্রি করা হয়। আপনি বুঝতেও পারবেন না কোনটা আসল আর কোনটা নকল। তাই এয়ারপোর্ট থেকে পারফিউম কেনা থেকে বিরত থাকুন।