ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইন্টারনেটহীন জীবন নিয়ে কী ভাবছেন তারকারা

  • আপডেট সময় : ১১:০৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে চলছে কারফিউ। নেই ইন্টারনেট লাইন, বন্ধ রয়েছে সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা। চলমান পরিস্থিতিতে ঘরবন্দি জীবন নিয়ে কী ভাবছেন শোবিজ তারকারা।

অভিনেতা মোশাররফ করিম মনে করেন, আধুনিক সময়ে এসে দেশের এমন স্থবির অবস্থা একেবারেই কাম্য নয়। আমরা আশা কর দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে। দেশ আবার আগের মতো সুন্দর ও স্বাভাবিক হবে।

ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকার বিষয়টি নিয়ে এ অভিনেতা বলেন, তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্ভরশীলতার এই যুগে এমন পরিস্থিতি মানুষের মধ্যে উৎকণ্ঠা আরও বাড়িয়ে তুলছে বলে মনে করছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, কারফিউর এই সময়ে তো সব কাজ বন্ধ, বাসায় বসে বই পড়ে, টিভিতে খবর দেখে সময় কাটছে। মানুষ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্ভর হয়ে পড়েছে। এতে করে কিছুটা অন্ধকারজগতে বসবাসের মতো মনে হচ্ছে তাদের কাছে। ফলে তারা বেশ উৎকণ্ঠা নিয়ে বসবাস করছে। আমার কাছের অনেক মানুষের মধ্যেও এটা লক্ষ করছি।

ইন্টারনেটনির্ভর এই পৃথিবীতে দেশে ইন্টারনেট না থাকায় যাপিত জীবনেও বেশ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অনেকেই বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল দিতে পারছেন না। ফলে তারা অবর্ণনীয় দুর্ভোগে জীবনযাপন করছেন। তবে আমি বলব এর একটা ইতিবাচক প্রভাবও পড়েছে। মানুষের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্ভরশীলতা কমে আসছে। জীবনে নতুনভাবে উপলদ্ধি করা হচ্ছে। অনেকেই বই পড়ায় ফিরে গিয়েছে।

অভিনেত্রী সুনেরা বিনতে কামাল। বর্তমান সময়ের অভিনেত্রী সুনেরা বিনতে কামাল বললেন, এই সময় ভালো থাকাটাই অস্বাভাবিক। তবে বাসায় ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করছেন তিনি। মায়ের সঙ্গে লুডু খেলছেন কিংবা সুইমিং করেও সময় কাটাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

দেশের অবস্থা নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘দেশের নাগরিক হয়ে বড় চাওয়া, শান্তি চাই। নিজের মতো করে বাঁচার স্বাধীনতা চাই। বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাইকে নিয়ে সরকারকে ভালো থাকতে হবে।’

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বর্তমানে জ্বর, ঠান্ডা, কাশিতে ভুগছেন তিনি; তাই কথা বলতে পারছেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে আন্দোলন চালিয়েছেন। আন্দোলন ঘিরে প্রাণহানিও হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে কোটা বাতিল করে আপিল বিভাগ রায় দিয়েছেন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্টারনেটহীন জীবন নিয়ে কী ভাবছেন তারকারা

আপডেট সময় : ১১:০৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে চলছে কারফিউ। নেই ইন্টারনেট লাইন, বন্ধ রয়েছে সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা। চলমান পরিস্থিতিতে ঘরবন্দি জীবন নিয়ে কী ভাবছেন শোবিজ তারকারা।

অভিনেতা মোশাররফ করিম মনে করেন, আধুনিক সময়ে এসে দেশের এমন স্থবির অবস্থা একেবারেই কাম্য নয়। আমরা আশা কর দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে। দেশ আবার আগের মতো সুন্দর ও স্বাভাবিক হবে।

ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকার বিষয়টি নিয়ে এ অভিনেতা বলেন, তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্ভরশীলতার এই যুগে এমন পরিস্থিতি মানুষের মধ্যে উৎকণ্ঠা আরও বাড়িয়ে তুলছে বলে মনে করছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, কারফিউর এই সময়ে তো সব কাজ বন্ধ, বাসায় বসে বই পড়ে, টিভিতে খবর দেখে সময় কাটছে। মানুষ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্ভর হয়ে পড়েছে। এতে করে কিছুটা অন্ধকারজগতে বসবাসের মতো মনে হচ্ছে তাদের কাছে। ফলে তারা বেশ উৎকণ্ঠা নিয়ে বসবাস করছে। আমার কাছের অনেক মানুষের মধ্যেও এটা লক্ষ করছি।

ইন্টারনেটনির্ভর এই পৃথিবীতে দেশে ইন্টারনেট না থাকায় যাপিত জীবনেও বেশ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অনেকেই বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল দিতে পারছেন না। ফলে তারা অবর্ণনীয় দুর্ভোগে জীবনযাপন করছেন। তবে আমি বলব এর একটা ইতিবাচক প্রভাবও পড়েছে। মানুষের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্ভরশীলতা কমে আসছে। জীবনে নতুনভাবে উপলদ্ধি করা হচ্ছে। অনেকেই বই পড়ায় ফিরে গিয়েছে।

অভিনেত্রী সুনেরা বিনতে কামাল। বর্তমান সময়ের অভিনেত্রী সুনেরা বিনতে কামাল বললেন, এই সময় ভালো থাকাটাই অস্বাভাবিক। তবে বাসায় ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করছেন তিনি। মায়ের সঙ্গে লুডু খেলছেন কিংবা সুইমিং করেও সময় কাটাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

দেশের অবস্থা নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘দেশের নাগরিক হয়ে বড় চাওয়া, শান্তি চাই। নিজের মতো করে বাঁচার স্বাধীনতা চাই। বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাইকে নিয়ে সরকারকে ভালো থাকতে হবে।’

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বর্তমানে জ্বর, ঠান্ডা, কাশিতে ভুগছেন তিনি; তাই কথা বলতে পারছেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে আন্দোলন চালিয়েছেন। আন্দোলন ঘিরে প্রাণহানিও হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে কোটা বাতিল করে আপিল বিভাগ রায় দিয়েছেন।